জাতীয় দলের সাবেক তারকা ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানার বিরুদ্ধে অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার শুনানি শেষে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রার্থনা করেছে বাদীপক্ষ। অন্যদিকে বিবাদীপক্ষ নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছে।
গত বুধবার (৬ মে) দুপুরে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক এ বিষয়ে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে নাসির ও তামিমা উভয়েই সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।
এমন পরিস্থিতিতে সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন তামিমা সুলতানা। সেখানে তিনি লেখেন, “অপরাধ তো হয়েছে! যে সমাজে ছোট শিশু থেকে শুরু করে বৃদ্ধা ও গর্ভবতী নারী পর্যন্ত ধর্ষণের শিকার হয়, আর ধর্ষকরা গর্বিত থাকে—সেই সমাজে একজন ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করে সম্মান দেওয়াটা অবশ্যই দণ্ডণীয় অপরাধ।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সমাজে নারীদের নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে খুব কমই আলোচনা হয়, অথচ সেলিব্রিটি হওয়ায় তাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ব্যাপক প্রচার হয়। তার ভাষায়, “আমাদের নিয়ে যত নিউজ বা আলোচনা এর ২০% যদি ওই সব নারীদের জন্য হতো, তাহলে কোনো নারীকে আর নির্যাতিত হতে হতো না।”
তামিমা বলেন, নাসির তাকে সম্মান দিয়ে জীবনের মুকুটে স্থান দিয়েছেন। আর এ কারণেই সমাজের কিছু মানুষ ক্ষুব্ধ হচ্ছে। তার বক্তব্যে উঠে আসে, “যে সমাজ নারীদেরকে পায়ের নিচে দাবিয়ে রাখতে চায়, সেই কাপুরুষদের সমাজে নাসির আমার বীরপুরুষ।”
এই পোস্টকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে নাসির-তামিমা দম্পতির চলমান মামলাটি।


