গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে গৃহবধূ ববিতা বেগমকে গলাকেটে হত্যার মামলায় আনারুল মোল্লা (৩০) নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে রাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বৃহস্পতিবার (৬ মে) বিকেলে র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
র্যাবের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৫ মে রাত ১২টার দিকে ঢাকার জসীমউদ্দিন এলাকায় র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ও র্যাব-১ পূর্বাচল ক্যাম্প নারায়ণগঞ্জের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আনারুল মোল্লা সাদুল্লাপুর উপজেলার চক ভগবানপুর গ্রামের মৃত সাকি মোল্লার ছেলে এবং মামলার প্রধান আসামি হারুন মোল্লার আপন ভাই।
ববিতা বেগমকে হত্যার ঘটনায় তার স্বামী হারুন মোল্লা ও পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা মনোমালিন্যকে দায়ী করা হয়। জানা যায়, ২৪ মার্চ ববিতা বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ২৭ মার্চ স্বামী হারুন ও ভাই আশরাফুল তাকে আবার ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। এর পরদিন ২৮ মার্চ সকালে ববিতার মা লোকমুখে মেয়ের হত্যার খবর পান এবং বাসায় গিয়ে খাটের উপর গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান।
ঘটনার পর নিহতের মা হাসনা বেগম বাদি হয়ে তিনজন নামীয় ও অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে পলাশবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। একইদিন দুপুরে পুলিশ ভাড়া বাসা থেকে ববিতার মরদেহ উদ্ধার করে। সেখানে একটি কেটে ফেলা পুরুষাঙ্গও পাওয়া যায়, যা পরে নিহতের স্বামী হারুন মিয়ার বলে শনাক্ত হয়।
পরে ২৯ মার্চ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে হারুন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা আনারুল মোল্লাকে এবার র্যাব গ্রেপ্তার করল। এই মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


