বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অস্তিত্ব টিকে আছে জুলাইয়ের উপরে। জুলাই ছাড়া নতুন বাংলাদেশের আবির্ভাব ঘটতো না। কিন্তু গণভোটের অধ্যাদেশ নিয়ে তাল বাহানা করতে করতে মানুষের ধৈর্যের সীমা পার হচ্ছে।
১৮০ কার্য দিবস বা ছয় মাসের মধ্যে এই গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে পুরো সংসদ বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১১ দলীয় জোট তথা জামাতে ইসলামী জোট সারাদেশে গণভোট বাস্তবায়নের মিছিল প্রকাশ করে। সমস্ত এমপি পরিষদ এ গণভোট বাস্তবায়নের দাবি তুলেছেন। পাশাপাশি গাইবান্ধা সদর ২ আসনের এমপি মহোদয় মোঃ আব্দুল করিম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজ এবং মিডিয়া সেল পেজে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম বলেছেন, সংবিধানের দোহাই দিয়ে গণভোটকে অবৈধ ঘোষণা করা হলে জাতীয় নির্বাচনও একইভাবে অবৈধ হয়ে যায়। তার মতে, এ অবস্থায় বর্তমান সরকার বৈধতা হারায় এবং বিএনপি-জামাতসহ কোনো দলের সংসদ সদস্য পদ থাকার কথা নয়। তিনি অভিযোগ করেন, সরকার সংবিধানকে ছলচাতুরীর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
আব্দুল করিম আরও বলেন, “ক্ষমতায় গিয়েছেন—ভালো কাজ করুন। গণভোটে জনগণের রায়কে বাস্তবায়ন করুন।” তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, জনগণের ভোটের রায়কে সম্মান জানিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী করতে হবে।
এ বক্তব্যে তিনি গণভোটের ফলাফল বাস্তবায়নের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং রাজনৈতিক ছলচাতুরী বন্ধ করার আহ্বান জানান।


