
উন্মোচনের লক্ষে, সত্যের পক্ষে
rpcnews.com
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী, যার পেছনে প্রধান কারণ শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি। এই পরিস্থিতির কারণে মূল্যস্ফীতির শঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর প্রভাব বিনিয়োগকারীদের উপর পড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, সুদের হার দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে, যার ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের প্রতি আগ্রহ কমে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৬ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৪৫০ দশমিক ৬৪ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে, এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসও ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৪৭ দশমিক ৬০ ডলারে।
কিটকো মেটালসের সিনিয়র বিশ্লেষক জিম উইকফ রয়টার্সকে জানান, উচ্চ সুদের হার এবং মূল্যস্ফীতির উদ্বেগ স্বর্ণের দামকে চাপ দিচ্ছে। তিনি বলেন, "যদি সংঘাত অব্যাহত থাকে, তবে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে। তবে যুদ্ধবিরতি এবং সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা দেখা দিলে দাম আবার ৫ হাজার ডলারের দিকে উঠতে পারে।"
স্বর্ণকে অনিশ্চয়তা এবং মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কিন্তু বর্তমানে উচ্চ সুদের হারের পরিবেশে এই মূল্যবান ধাতুর আকর্ষণ কিছুটা কমে গেছে।
অন্য মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যে রুপার দাম ৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ৬৮ দশমিক ৬০ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ৩ দশমিক ১ শতাংশ কমে ১ হাজার ৮৬০ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়িয়েছে, এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৩৬৬ দশমিক ৭৫ ডলারে নেমেছে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।