
উন্মোচনের লক্ষে, সত্যের পক্ষে
rpcnews.com
চাঁদাবাজি মা/মলায় খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ|গ্রেপ্তার
২৭ মার্চ ২০২৬, ১৮:৩৪

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চাঁদাবাজি মামলায় খাদ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে ভোররাতে বাউফল থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি মো. অলিউল্লাহ্ ওরফে অলি, মির্জাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের উপ-খাদ্য পরিদর্শক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে কৃষক আরব আলীসহ রাঙ্গাবালী ও চরফ্যাশন উপজেলার একাধিক কৃষক জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছেন। চলতি মৌসুমে তাদের তরমুজের ভালো ফলন হয়েছে। তবে তরমুজ বড় হওয়ার পর অলি ও তার সহযোগীরা কৃষকদের লিজ নেওয়া জমি নিজেদের দাবি করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, চাষিরা প্রায় ৯ হাজার পিস তরমুজ সংগ্রহ করে দুটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলেন, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৭ লাখ টাকারও বেশি। গত ১৬ মার্চ অলি ও তার সহযোগীরা তরমুজ সরবরাহে বাধা দেন এবং চাষিদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় তরমুজবোঝাই দুটি ট্রলার জোরপূর্বক তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যান। পরে, অভিযুক্ত অলি ১০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়ে ৪ হাজার পিস তরমুজসহ একটি ট্রলার ফেরত দেন।
ভুক্তভোগী কৃষক আরব আলী অলি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বাউফল থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন, যাতে অলি প্রধান আসামি। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মন্তব্য জানা যায়নি।
মুদ্রিত হয়েছে: ২১ আগস্ট, ২০২৬ এ ০২:৩৬ PM