
উন্মোচনের লক্ষে, সত্যের পক্ষে
rpcnews.com
লিবিয়া থেকে ইউরোপের দেশ গ্রিসে যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ২২ অভিবাসনপ্রত্যাশী মারা গেছেন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ২৬ জন, তাদের মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি। সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে সুনামগঞ্জের ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের নুরুজ্জামান ময়না (৩৮), আব্দুল গনির ছেলে সাজিদুর রহমান (৩২), মৃত কারী ইসলাম উদ্দিনের ছেলে শাহান এহিয়া (২৫) এবং রনারচর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে মুজিবুর রহমান (৪৫) রয়েছেন। এছাড়া, দোয়ারাবাজার উপজেলার কবিরনগর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে ফাহিম আহমেদ মুন্না (২০) এবং জগন্নাথপুর উপজেলার পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
শুক্রবার ভোরে ক্রিট দ্বীপের কাছে ইউরোপীয় সীমান্ত সংস্থার একটি জাহাজ ২৬ জনকে উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে ২১ জন বাংলাদেশি, ৪ জন দক্ষিণ সুদানের নাগরিক এবং ১ জন চাদের নাগরিক। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে দু’জনকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ক্রিটের হেরাক্লিয়ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত চার যুবক স্থানীয় দালাল চক্রের মাধ্যমে গত রমজানে লিবিয়া যান। লিবিয়া থেকে নৌকাযোগে গ্রিস যাওয়ার পথে দুর্ঘটনায় তাদের তিনজন মারা যান। দোয়ারাবাজারের ফাহিম তার বাবার কাছে সৌদি আরব থেকে লিবিয়াতে পৌঁছেছিলেন।
এদিকে, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মতে, নৌকাডুবির ঘটনায় অনেকের লাশ সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়েছে।